, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

পটকা তৈরী করতে গিয়ে আহত ৩ শিশু

চুয়াডাঙ্গায় ভাংবাড়িয়ায় দিয়াশলাই কাঠির বারুদ দিয়ে পটকা বোমা তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণে ৩ শিশু আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত এক শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড হয়েছে। রবিবার(৮ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ভাংবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলো ভাংবাড়িয়া গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে স্হানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র রনক হোসেন (১২), উজ্জ্বল হোসেনের ছেলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র হুসাইন (৯) এবং আহম্মদ আলীর ছেলে একই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আল-মিয়া (৯)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় রনক, হুসাইন ও আল-মিয়া ভাংবাড়িয়া গ্রামের একটি নির্মাণাধীন মসজিদের ছাদে গিয়ে দিয়াশলাই কাঠির বারুদ দিয়ে পটকা বোমা তৈরির চেষ্টা করছিল। এ সময় সেটি হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে রনকের ডান হাতের ৫টি আঙুল উড়ে যায়। হুসাইন ও আল-মিয়া হাত-পায়ে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। বিস্ফোরণের পর তারা দুজনই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

পরে স্থানীয় লোকজন মসজিদের ছাদে গিয়ে আহত তিন শিশুকে উদ্ধার করে আলমডাঙ্গার হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুরুতর আহত রনককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। অন্য দুই শিশু প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

এবিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরাইল জানান, খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

রাস্তায় হেটে হেটে মদ পান করছিলেন নারী, ভিডিও করতে বাধা

পটকা তৈরী করতে গিয়ে আহত ৩ শিশু

প্রকাশের সময় : ১১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় ভাংবাড়িয়ায় দিয়াশলাই কাঠির বারুদ দিয়ে পটকা বোমা তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণে ৩ শিশু আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত এক শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড হয়েছে। রবিবার(৮ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ভাংবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলো ভাংবাড়িয়া গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে স্হানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র রনক হোসেন (১২), উজ্জ্বল হোসেনের ছেলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র হুসাইন (৯) এবং আহম্মদ আলীর ছেলে একই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আল-মিয়া (৯)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় রনক, হুসাইন ও আল-মিয়া ভাংবাড়িয়া গ্রামের একটি নির্মাণাধীন মসজিদের ছাদে গিয়ে দিয়াশলাই কাঠির বারুদ দিয়ে পটকা বোমা তৈরির চেষ্টা করছিল। এ সময় সেটি হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে রনকের ডান হাতের ৫টি আঙুল উড়ে যায়। হুসাইন ও আল-মিয়া হাত-পায়ে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। বিস্ফোরণের পর তারা দুজনই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

পরে স্থানীয় লোকজন মসজিদের ছাদে গিয়ে আহত তিন শিশুকে উদ্ধার করে আলমডাঙ্গার হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুরুতর আহত রনককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। অন্য দুই শিশু প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

এবিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরাইল জানান, খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।