, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বনদস্যু নিধনে

সুন্দরবনে যৌথ বাহিনীর অভিজান শুরু

  • প্রকাশের সময় : ১০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৪৩ পড়া হয়েছে

মাসুদ রানা,মোংলা সংবাদদাতা:- বি ভিন্ন বনদস্যু বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনে একের পর এক জেলেদের অপহরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে বনের উপর নির্ভরশীল মানুষেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। অপহরণের পর মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে জেলেদের।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সুন্দরবনে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে দস্যু বাহিনী। মুক্তিপণ দাবিতে জেলে অপহরণ, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা আদায়, মাছ ছিনতাই ও মারধরের ঘটনা বাড়ছে বিভিন্ন এলাকায়। বিশেষ করে দুবলার চর এলাকায় দস্যুদের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বেশি।

বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সুন্দরবনের দস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন মোংলা সদর দপ্তরে থেকে দস্যুবাহিনীর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার লক্ষে রওনা দেয় যৌথবাহিনী। বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, র‍্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী স্পিডবোটযোগে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দস্যুদের আস্তানা শনাক্ত করে।
তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সুন্দরবনের কোন দস্যুকে আটকের খবর পাওয়া যায়নি।

কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া উইং জানায়, সুন্দরবনের বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু করা হয়েছে। দস্যুদের পুরোপুরি নির্মুল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে।

মোংলার জয়মনিঘোল এলাকার জেলে লিটন গাজী এ প্রতিবেদককে বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে সুন্দরবনের গভীর এলাকা থেকে ২৮ জেলেকে অপহরণ করে দস্যুরা। মুক্তিপণ দিয়ে কেউ কেউ ছাড়া পেলেও এখনও অনেকে আটকা রয়েছে।

জানতে চাইলে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সুন্দরবনে দস্যু তৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়টি নজরে এসেছে। আমি খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসন, র‍্যাব, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও বন বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং ইতিমধ্যে দস্যুতা দমনে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, উপকূলের সাধারণ মানুষ জীবন-জীবিকার জন্য সাগরে যেতে পারছে না। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। চলমান অভিযান জোরদার করা হবে, পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

রাস্তায় হেটে হেটে মদ পান করছিলেন নারী, ভিডিও করতে বাধা

বনদস্যু নিধনে

সুন্দরবনে যৌথ বাহিনীর অভিজান শুরু

প্রকাশের সময় : ১০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাসুদ রানা,মোংলা সংবাদদাতা:- বি ভিন্ন বনদস্যু বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনে একের পর এক জেলেদের অপহরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে বনের উপর নির্ভরশীল মানুষেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। অপহরণের পর মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে জেলেদের।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সুন্দরবনে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে দস্যু বাহিনী। মুক্তিপণ দাবিতে জেলে অপহরণ, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা আদায়, মাছ ছিনতাই ও মারধরের ঘটনা বাড়ছে বিভিন্ন এলাকায়। বিশেষ করে দুবলার চর এলাকায় দস্যুদের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বেশি।

বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সুন্দরবনের দস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন মোংলা সদর দপ্তরে থেকে দস্যুবাহিনীর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার লক্ষে রওনা দেয় যৌথবাহিনী। বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, র‍্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী স্পিডবোটযোগে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দস্যুদের আস্তানা শনাক্ত করে।
তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সুন্দরবনের কোন দস্যুকে আটকের খবর পাওয়া যায়নি।

কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া উইং জানায়, সুন্দরবনের বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু করা হয়েছে। দস্যুদের পুরোপুরি নির্মুল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে।

মোংলার জয়মনিঘোল এলাকার জেলে লিটন গাজী এ প্রতিবেদককে বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে সুন্দরবনের গভীর এলাকা থেকে ২৮ জেলেকে অপহরণ করে দস্যুরা। মুক্তিপণ দিয়ে কেউ কেউ ছাড়া পেলেও এখনও অনেকে আটকা রয়েছে।

জানতে চাইলে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সুন্দরবনে দস্যু তৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়টি নজরে এসেছে। আমি খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসন, র‍্যাব, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও বন বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং ইতিমধ্যে দস্যুতা দমনে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, উপকূলের সাধারণ মানুষ জীবন-জীবিকার জন্য সাগরে যেতে পারছে না। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। চলমান অভিযান জোরদার করা হবে, পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।