, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

১৫ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে,মিয়ানমারের দাবী মাত্র আড়াই লাখ

  • প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে
  • ৫৭ পড়া হয়েছে

আহসান সুমন,কক্সবাজার : কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রিত প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে মাত্র সাড়ে তিন লাখের তথ্য যাচাই করতে পেরেছে মিয়ানমার। সেখান থেকে আড়াই লাখ মানুষকে নিজেদের নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশটি।
সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ তথ্য জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দেন। এর আগে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে তিনটায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে দুই দফায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে রোহিঙ্গা তথ্য যাচাইকরণ করছে।’ এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ৬ ধাপে ৮ লাখ ২৯ হাজার ৩৬ জন রোহিঙ্গার তথ্য মিয়ানমার সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫১ জনের (জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) তথ্য যাচাই করেছে। এর মধ্যে মিয়ানমার সরকার ২ লাখ ৫৩ হাজার ৯৬৪ জনকে ‘পূর্বে মিয়ানমারে বসবাসকারী ব্যক্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের কারণে এখনই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হচ্ছে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন।’ এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা ও সমর্থন জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ কূটনৈতিক, আইনি ও মানবিক সব উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক বিচারিক প্রক্রিয়াসমূহে বাংলাদেশ নৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন প্রদান করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংগঠনের দায়ে নেদারল্যান্ডসের হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ‘গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার’ একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সেই মামলা পরিচালনায় বাংলাদেশ আর্থিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশ এই আইনি প্রক্রিয়াকে গভীর গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চলমান উদ্যোগগুলোকে সমর্থন করছে।

সিএনজি-অটোরিক্সা মুখোমুখি সংঘর্ষ,নিহত ৩

১৫ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে,মিয়ানমারের দাবী মাত্র আড়াই লাখ

প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে

আহসান সুমন,কক্সবাজার : কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রিত প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে মাত্র সাড়ে তিন লাখের তথ্য যাচাই করতে পেরেছে মিয়ানমার। সেখান থেকে আড়াই লাখ মানুষকে নিজেদের নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশটি।
সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ তথ্য জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দেন। এর আগে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে তিনটায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে দুই দফায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে রোহিঙ্গা তথ্য যাচাইকরণ করছে।’ এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ৬ ধাপে ৮ লাখ ২৯ হাজার ৩৬ জন রোহিঙ্গার তথ্য মিয়ানমার সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫১ জনের (জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) তথ্য যাচাই করেছে। এর মধ্যে মিয়ানমার সরকার ২ লাখ ৫৩ হাজার ৯৬৪ জনকে ‘পূর্বে মিয়ানমারে বসবাসকারী ব্যক্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের কারণে এখনই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হচ্ছে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন।’ এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা ও সমর্থন জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ কূটনৈতিক, আইনি ও মানবিক সব উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক বিচারিক প্রক্রিয়াসমূহে বাংলাদেশ নৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন প্রদান করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংগঠনের দায়ে নেদারল্যান্ডসের হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ‘গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার’ একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সেই মামলা পরিচালনায় বাংলাদেশ আর্থিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশ এই আইনি প্রক্রিয়াকে গভীর গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চলমান উদ্যোগগুলোকে সমর্থন করছে।