, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়১৫০ নারী উদ্যোক্তার টাকা আত্মসাৎ

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৫৫ পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীর আলম,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:-  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার বড্ডাপাড়া এলাকায় নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত “তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোক্তা বিকাশ সাধন” প্রকল্পে অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ও তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা নারীদের কাছ থেকে ৩ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের জন্য ১০০০ টাকা ভর্তি ফি আদায় করেন, যদিও প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ বিনামূল্যে দেওয়া হওয়ার কথা।

এছাড়াও, প্রশিক্ষণ শেষে সদস্যদের সার্টিফিকেট ও ব্যাংক চেক দেওয়ার কথা থাকলেও, বেশিরভাগ সদস্যকে ভূয়া চেক দেওয়া হয় এবং কিছু সদস্যকে চেকই দেওয়া হয়নি। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হাফিজুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা নারীদের কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেন এবং টাকা ফেরত চাওয়ার ক্ষেত্রে হুমকি-ধামকি ও অশালীন আচরণ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে কিছুদিন আগে অভিযোগ দিলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন নম্বরও এখন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে প্রকল্প অফিসটি বন্ধ পাওয়া যায়, এবং প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান পিতা গাজীউর রহমান গ্রাম সরাইল সাহজদাপুর ১নং ওয়াড এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ঘটনায় ১৫০ এর অধিক নারী সদস্য প্রশাসনের কাছে তাদের হারানো টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য সহায়তা কামনা করেছেন।

রাস্তায় হেটে হেটে মদ পান করছিলেন নারী, ভিডিও করতে বাধা

নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়১৫০ নারী উদ্যোক্তার টাকা আত্মসাৎ

প্রকাশের সময় : ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাহাঙ্গীর আলম,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:-  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার বড্ডাপাড়া এলাকায় নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত “তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোক্তা বিকাশ সাধন” প্রকল্পে অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ও তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা নারীদের কাছ থেকে ৩ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের জন্য ১০০০ টাকা ভর্তি ফি আদায় করেন, যদিও প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ বিনামূল্যে দেওয়া হওয়ার কথা।

এছাড়াও, প্রশিক্ষণ শেষে সদস্যদের সার্টিফিকেট ও ব্যাংক চেক দেওয়ার কথা থাকলেও, বেশিরভাগ সদস্যকে ভূয়া চেক দেওয়া হয় এবং কিছু সদস্যকে চেকই দেওয়া হয়নি। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হাফিজুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা নারীদের কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেন এবং টাকা ফেরত চাওয়ার ক্ষেত্রে হুমকি-ধামকি ও অশালীন আচরণ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে কিছুদিন আগে অভিযোগ দিলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন নম্বরও এখন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে প্রকল্প অফিসটি বন্ধ পাওয়া যায়, এবং প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান পিতা গাজীউর রহমান গ্রাম সরাইল সাহজদাপুর ১নং ওয়াড এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ঘটনায় ১৫০ এর অধিক নারী সদস্য প্রশাসনের কাছে তাদের হারানো টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য সহায়তা কামনা করেছেন।